পরিচিতি
জিল ফাউন্ডেশন একটি মানবকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠান, যার মূল উদ্দেশ্য সমাজের প্রান্তিক, দরিদ্র, বঞ্চিত, শিক্ষাবঞ্চিত, পথহারা ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। দ্বীনি শিক্ষা, মানবিক সহানুভূতি এবং জ্ঞানচর্চার সমন্বয়ে একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের পাশে থেকে আমরা দারিদ্র্য বিমোচন, নৈতিক শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা, আত্মনির্ভরতা এবং পুনর্বাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি।
আমরা বিশ্বাস করি:
- প্রকৃত কল্যাণ নিহিত দ্বীনি জ্ঞানে ও নৈতিক জীবনে।
- মানবতা ও দায়িত্ববোধই সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার।।
- দান, খয়রাত ও সাদাকাহ শুধুমাত্র অর্থ নয়, এটি হৃদয়ের প্রশান্তি ও আল্লাহর সন্তুষ্টির মাধ্যম।
আমাদের আদর্শ:
- কোরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক সমাজ গঠন।
- স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা।
- দাওয়াহ এবং আত্মনির্ভরতার মাধ্যমে সমাজ উন্নয়ন।
লক্ষ্য:
-
একটি আলোকিত ও আত্মনির্ভরশীল সমাজ গঠন যেখানে দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকবে সবার নাগালে।
উদ্দেশ্যসমূহ:
- দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো এবং পুনর্বাসন।
- দাওয়াহ কার্যক্রম ও দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার।
- নারীদের জন্য পর্দানুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা।
- শিশু ও যুবকদের ইসলামিক ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা।
- ত্রাণ ও দুর্যোগকালীন সহায়তা।
আমাদের চলমান ও প্রস্তাবিত কার্যক্রমগুলো:
- আলেমদের জন্য বিশেষ স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ।
- গ্রামভিত্তিক মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষা।
- দাওয়াত ও ইসলামী সচেতনতা বৃদ্ধি।
- নারীদের স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা কার্যক্রম।
- আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসন।
- রমজানে ইফতার ও ঈদ উপহার কর্মসূচি।
- যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন।
- প্রবীণ ও অসহায়দের সহায়তা।
তহবিল ও আয়ের উৎস
- আজীবন ও দাতা সদস্যদের মাসিক/বাৎসরিক চাঁদা।
- সাধারণ দান ও অনুদান।
- ফিতরা, যাকাত ও কোরবানির অংশ।
- কোম্পানির নিজস্ব মুনাফার একটি অংশ।
- সামাজিক অনুষ্ঠান ও জনসচেতনতা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ।
আমরা প্রতিটি দানের জন্য দাতাদের কাছে দায়বদ্ধ।
- প্রতিটি অনুদানের হিসাব সংরক্ষণ ও নিরীক্ষণ করা হয়।
- মাসিক ব্যয়ের খাত: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, দাওয়াহ ও প্রশাসনিক ব্যয়।
পরিচিতি
জিল ফাউন্ডেশন একটি মানবকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠান, যার মূল উদ্দেশ্য সমাজের প্রান্তিক, দরিদ্র, বঞ্চিত, শিক্ষাবঞ্চিত, পথহারা ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। দ্বীনি শিক্ষা, মানবিক সহানুভূতি এবং জ্ঞানচর্চার সমন্বয়ে একটি আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের পাশে থেকে আমরা দারিদ্র্য বিমোচন, নৈতিক শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা, আত্মনির্ভরতা এবং পুনর্বাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি।
নীতি ও আদর্শ
আমরা বিশ্বাস করি:
- প্রকৃত কল্যাণ নিহিত দ্বীনি জ্ঞানে ও নৈতিক জীবনে।
- মানবতা ও দায়িত্ববোধই সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার।
- দান, খয়রাত ও সাদাকাহ শুধুমাত্র অর্থ নয়, এটি হৃদয়ের প্রশান্তি ও আল্লাহর সন্তুষ্টির মাধ্যম।
আমাদের আদর্শ:
- কোরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক সমাজ গঠন।
- স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীলতার চর্চা।
- দাওয়াহ এবং আত্মনির্ভরতার মাধ্যমে সমাজ উন্নয়ন।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
লক্ষ্য:
একটি আলোকিত ও আত্মনির্ভরশীল সমাজ গঠন যেখানে দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকবে সবার নাগালে।
উদ্দেশ্যসমূহ:
- দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো এবং পুনর্বাসন।
- দাওয়াহ কার্যক্রম ও দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার।
- নারীদের জন্য পর্দানুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা।
- শিশু ও যুবকদের ইসলামিক ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করা।
- ত্রাণ ও দুর্যোগকালীন সহায়তা।
কার্যক্রম
আমাদের চলমান ও প্রস্তাবিত কার্যক্রমগুলো:
- আলেমদের জন্য বিশেষ স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ।
- গ্রামভিত্তিক মক্তব ও দ্বীনি শিক্ষা।
- দাওয়াত ও ইসলামী সচেতনতা বৃদ্ধি।
- নারীদের স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা কার্যক্রম।
- আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসন।
- রমজানে ইফতার ও ঈদ উপহার কর্মসূচি।
- যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন।
- প্রবীণ ও অসহায়দের সহায়তা।
তহবিল ও আয়ের উৎস
আমাদের তহবিল আসে নিম্নলিখিত উৎস থেকে:
- আজীবন ও দাতা সদস্যদের মাসিক/বাৎসরিক চাঁদা।
- সাধারণ দান ও অনুদান।
- ফিতরা, যাকাত ও কোরবানির অংশ।
- কোম্পানির নিজস্ব মুনাফার একটি অংশ।
- সামাজিক অনুষ্ঠান ও জনসচেতনতা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ।
ব্যায়ের নীতিমালা
আমরা প্রতিটি দানের জন্য দাতাদের কাছে দায়বদ্ধ।
- প্রতিটি অনুদানের হিসাব সংরক্ষণ ও নিরীক্ষণ করা হয়।
- মাসিক ব্যয়ের খাত: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, দাওয়াহ ও প্রশাসনিক ব্যয়।
