আমাদের চলমান ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সমূহ

আলেমদের জন্য স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্স
আমাদের সমাজের দীপ্ত আলোকবর্তিকা হলেন আলেমগণ। কিন্তু শুধুমাত্র কিতাবি জ্ঞান নয়, সময়ের দাবি পূরণে তাঁদের প্রয়োজন প্রযুক্তি, বক্তৃতা, লেখনী, নেতৃত্বসহ নানা স্কিল। জিল ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছ বিশেষ আলেম স্কিল ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কশপ, যেখানে তরুণ আলেমদের সময়োপযোগী দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করা হয়। কম্পিউটার পরিচালনা, অনলাইন দাওয়াহ কৌশল, পাবলিক স্পিকিং, লেখালেখি, মিডিয়া ব্যবহারের আদব ইত্যাদি বিষয়ের ওপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিয়ে আলেমদের এমনভাবে গড়ে তোলা হয়, যেন তাঁরা সমাজে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

মাদ্রাসা ভিত্তিক দীনি শিক্ষা কার্যক্রম
মাদ্রাসা হলো আমাদের দীনের আঁতুড়ঘর। তাই এই প্রজন্মের শিশুদের জন্য বিশুদ্ধ দীনি শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। জিল ফাউন্ডেশন মাদ্রাসাভিত্তিক শিক্ষার মান উন্নয়ন, কারিকুলাম উন্নয়ন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রেরণা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। কিছু নির্দিষ্ট মাদ্রাসায় আমাদের পক্ষ থেকে কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি আকিদা, ফিকহ, আদব, সিরাত ও মাসনূন দোয়ার পাঠদান পরিচালিত হয়। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে দীনি শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্রজন্ম গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য।

গ্রামভিত্তিক যুব মক্তব কর্মসূচি
জ্ঞানহীনতা আর দ্বীন বিমুখতা থেকে আমাদের সমাজ আজ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। গ্রামের তরুণদের মধ্যে ইসলামী শিক্ষার ভিত্তি গড়ে তুলতে জিল ফাউন্ডেশন পরিচালনা করছে গ্রামভিত্তিক যুব মক্তব কর্মসূচি। এই উদ্যোগে প্রতিটি অঞ্চলের যুবকদের জন্য স্থানীয়ভাবে সহজবোধ্য ও বিশুদ্ধ ইসলামী শিক্ষাদান নিশ্চিত করা হয়। সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে চলা এই ক্লাসগুলোতে নামাজ, আকিদা, নৈতিকতা, কুরআন শিক্ষাসহ একজন মুসলিম তরুণের প্রয়োজনীয় মৌলিক দীনী জ্ঞান প্রদান করা হয়। এতে গ্রামের যুবসমাজ আলোকিত হচ্ছে, পরিবার ও সমাজে ফিরিয়ে আনছে শান্তির ছায়া।

জনসচেতনতা মূলক সেমিনার আয়োজন
আমরা সময়োপযোগী এবং সমাজের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন জনসচেতনতা মূলক সেমিনার আয়োজন করে থাকি। এই সেমিনারগুলোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক, স্বাস্থ্যগত ও নাগরিক বিষয়গুলো নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করি। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়, আমরা ব্যাপকভাবে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করি। আমরা বিভিন্নভাবে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে থাকি।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম
করোনা লকডাউনের সময়, যখন চারপাশে কাজ বন্ধ, বাজারে অনিশ্চয়তা, অনেকেই যখন “কি খাবো” সেই প্রশ্নে দিশেহারা—তখন আমরা পাশে দাঁড়িয়েছি। বিশেষ করে: দিনমজুর, নিম্ন আয়ের পরিবার, অসহায় নারী ও শিশুদের জন্য। আমাদের পক্ষ থেকে বিতরণ করা হয়: চাল, ডাল, আলু, তেল, লবণ, পেঁয়াজ ইত্যাদি এই পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় আমাদের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও পৃষ্ঠপোষকদের সহায়তায়। আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অথবা নির্দিষ্ট পয়েন্টে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই সহায়তা পৌঁছে দিয়েছিলাম । আলহামদুলিল্লাহ

যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য তরুণ প্রজন্মকে সঠিক দিকনির্দেশনা, প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমাদের ফাউন্ডেশন এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, দক্ষ ও কর্মক্ষম তরুণ সমাজ গঠন করে দেশের উন্নয়নের ভিত্তি মজবুত করা সম্ভব। তাই আমরা তাদের জন্য সার্বিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে যাচ্ছি
আমাদের চলমান ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সমূহ
আমাদের সমাজের দীপ্ত আলোকবর্তিকা হলেন আলেমগণ। কিন্তু শুধুমাত্র কিতাবি জ্ঞান নয়, সময়ের দাবি পূরণে তাঁদের প্রয়োজন প্রযুক্তি, বক্তৃতা, লেখনী, নেতৃত্বসহ নানা স্কিল। জিল ফাউন্ডেশন আয়োজন করেছ বিশেষ আলেম স্কিল ডেভেলপমেন্ট ওয়ার্কশপ, যেখানে তরুণ আলেমদের সময়োপযোগী দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করা হয়। কম্পিউটার পরিচালনা, অনলাইন দাওয়াহ কৌশল, পাবলিক স্পিকিং, লেখালেখি, মিডিয়া ব্যবহারের আদব ইত্যাদি বিষয়ের ওপর বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিয়ে আলেমদের এমনভাবে গড়ে তোলা হয়, যেন তাঁরা সমাজে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।
আমরা সময়োপযোগী এবং সমাজের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন জনসচেতনতা মূলক সেমিনার আয়োজন করে থাকি। এই সেমিনারগুলোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক, স্বাস্থ্যগত ও নাগরিক বিষয়গুলো নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করি। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়, আমরা ব্যাপকভাবে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করি। আমরা বিভিন্নভাবে সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে থাকি।
মাদ্রাসা হলো আমাদের দীনের আঁতুড়ঘর। তাই এই প্রজন্মের শিশুদের জন্য বিশুদ্ধ দীনি শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। জিল ফাউন্ডেশন মাদ্রাসাভিত্তিক শিক্ষার মান উন্নয়ন, কারিকুলাম উন্নয়ন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রেরণা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। কিছু নির্দিষ্ট মাদ্রাসায় আমাদের পক্ষ থেকে কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি আকিদা, ফিকহ, আদব, সিরাত ও মাসনূন দোয়ার পাঠদান পরিচালিত হয়। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে দীনি শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্রজন্ম গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য।
করোনা লকডাউনের সময়, যখন চারপাশে কাজ বন্ধ, বাজারে অনিশ্চয়তা, অনেকেই যখন “কি খাবো” সেই প্রশ্নে দিশেহারা—তখন আমরা পাশে দাঁড়িয়েছি। বিশেষ করে: দিনমজুর, নিম্ন আয়ের পরিবার, অসহায় নারী ও শিশুদের জন্য। আমাদের পক্ষ থেকে বিতরণ করা হয়: চাল, ডাল, আলু, তেল, লবণ, পেঁয়াজ ইত্যাদি এই পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় আমাদের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও পৃষ্ঠপোষকদের সহায়তায়। আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অথবা নির্দিষ্ট পয়েন্টে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই সহায়তা পৌঁছে দিয়েছিলাম । আলহামদুলিল্লাহ
জ্ঞানহীনতা আর দ্বীন বিমুখতা থেকে আমাদের সমাজ আজ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। গ্রামের তরুণদের মধ্যে ইসলামী শিক্ষার ভিত্তি গড়ে তুলতে জিল ফাউন্ডেশন পরিচালনা করছে গ্রামভিত্তিক যুব মক্তব কর্মসূচি। এই উদ্যোগে প্রতিটি অঞ্চলের যুবকদের জন্য স্থানীয়ভাবে সহজবোধ্য ও বিশুদ্ধ ইসলামী শিক্ষাদান নিশ্চিত করা হয়। সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে চলা এই ক্লাসগুলোতে নামাজ, আকিদা, নৈতিকতা, কুরআন শিক্ষাসহ একজন মুসলিম তরুণের প্রয়োজনীয় মৌলিক দীনী জ্ঞান প্রদান করা হয়। এতে গ্রামের যুবসমাজ আলোকিত হচ্ছে, পরিবার ও সমাজে ফিরিয়ে আনছে শান্তির ছায়া।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য তরুণ প্রজন্মকে সঠিক দিকনির্দেশনা, প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমাদের ফাউন্ডেশন এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, দক্ষ ও কর্মক্ষম তরুণ সমাজ গঠন করে দেশের উন্নয়নের ভিত্তি মজবুত করা সম্ভব। তাই আমরা তাদের জন্য সার্বিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে যাচ্ছি
